পেমেন্ট আসে।
অর্ডার যাচাই হয়।
আপনি কিছুই করেন না।
বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় — টাকা ঢোকার তিন সেকেন্ডে অর্ডার নিজে থেকেই সবুজ হয়ে যায়। SMS খোঁজা নেই, স্ক্রিনশট মেলানো নেই।
আমরা টাকা ছুঁই না
অনেক সার্ভিস মাঝখানে তহবিল ধরে রাখে, তারপর ছাড়ে। বিশ্বস্ত সেটা করে না — এবং করতেও চায় না।
কাস্টমার টাকা পাঠায়
আপনার নিজের বিকাশ বা নগদ নম্বরে, যেভাবে এখন পাঠায় ঠিক সেভাবেই।
টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে
সরাসরি। মাঝখানে কোনো তৃতীয় অ্যাকাউন্ট নেই, সেটেলমেন্টের অপেক্ষা নেই।
তখনই তুলতে পারেন
টাকা আটকে থাকে না, কারণ সেটা কখনো আমাদের হাতে যায়ইনি।
বিশ্বস্তের কাজ শুধু একটাই — আপনার পেমেন্ট নোটিফিকেশন পড়া আর অর্ডারের সাথে মেলানো। জমা রাখা, ট্রান্সফার করা বা এসক্রো — কোনোটাই নয়। তাই আপনার তহবিল কখনো আমাদের ঝুঁকির সাথে জড়ায় না।
যেখানে সাধারণ টুল ভেঙে পড়ে
প্রতিটি ফিচার একটি নির্দিষ্ট সমস্যার উত্তর, যেগুলোয় বাস্তবে প্রতিদিন ধাক্কা খেতে হয়।
একই টাকা, দুইজন কাস্টমার
প্রতি অর্ডারে আলাদা পয়সা বসে — 1250.03 আর 1250.07। দুই অর্ডার কখনো এক অঙ্ক আশা করে না।
পুরনো TrxID আটকে যায়
ডাটাবেজে UNIQUE(user_id, trx_id) — একই আইডি দ্বিতীয়বার এলে ইনসার্টই ব্যর্থ হয়।
হাতে যাচাইয়ের পথ খোলা
নোটিফিকেশন দেরিতে এলে বা হারালে ড্যাশবোর্ড থেকে এক ক্লিকে মেলান। কাস্টমার বসে থাকবে না।
অ্যাপ চুপ হলে খবর
ফোনের ব্যাটারি সেভার অ্যাপ মেরে ফেললে ড্যাশবোর্ডে সাথে সাথে সতর্কবার্তা ওঠে।
পার্সোনাল → মার্চেন্ট
পার্সোনাল নম্বরে অ্যাপ দিয়ে শুরু। ব্যবসা বাড়লে অফিসিয়াল API যোগ করুন — কোড বদলাতে হবে না।
পূর্ণ লেজার
কোন টাকা কোন অর্ডারের, কোনটা এখনো মেলেনি — সব এক জায়গায়। মাস শেষে রিপোর্ট এক ক্লিকে।
আপনার সফটওয়্যার যা-ই হোক
জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মে রেডিমেড মডিউল। বাকি সব জায়গায় REST API আর ওয়েবহুক।
মাসিক ফি, লেনদেনের ভাগ নয়
আপনার বিক্রি বাড়লে আমাদের বিল বাড়ে না।
- ১টি পেমেন্ট নম্বর
- মাসে ৩০০ যাচাই
- অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ
- ইমেইল সাপোর্ট
- ৩টি পেমেন্ট নম্বর
- আনলিমিটেড যাচাই
- WHMCS ও WooCommerce মডিউল
- ওয়েবহুক ও REST API
- হোয়াটসঅ্যাপ সাপোর্ট
- আনলিমিটেড নম্বর
- আনলিমিটেড যাচাই
- একাধিক সাব-অ্যাকাউন্ট
- প্রায়োরিটি সাপোর্ট
লেনদেনের কোনো শতাংশ নেই। মাসে ১০ হাজার টাকা আসুক বা ১০ লাখ — ফি একই। কারণ আমরা টাকা প্রসেস করি না, শুধু যাচাই করি।
যা সবাই জানতে চায়
বিশ্বস্ত কি আমার টাকা ধরে রাখে?
না। কাস্টমারের টাকা সরাসরি আপনার নিজের বিকাশ, নগদ, রকেট বা উপায় অ্যাকাউন্টে যায়। বিশ্বস্ত কোনো টাকা জমা রাখে না, ট্রান্সফার করে না, এসক্রোও করে না। আমরা শুধু পেমেন্ট নোটিফিকেশন পড়ে অর্ডারের সাথে মিলিয়ে দিই।
শুরু করতে কি মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট লাগবে?
লাগবে না। পার্সোনাল নম্বর দিয়েই শুরু করতে পারবেন — অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ আপনার ফোনের পেমেন্ট নোটিফিকেশন পড়ে সার্ভারে পাঠায়। ব্যবসা বড় হলে অফিসিয়াল মার্চেন্ট API-তে সরে যেতে পারবেন, ড্যাশবোর্ড বা কোড বদলাতে হবে না।
দুইজন কাস্টমার একই সময়ে একই টাকা পাঠালে কী হয়?
প্রতিটি অর্ডারের জন্য বিশ্বস্ত আলাদা পয়সা বসিয়ে দেয় — একজনকে ১২৫০.০৩ আর আরেকজনকে ১২৫০.০৭ টাকা পাঠাতে বলা হয়। ফলে দুটি অপেক্ষমাণ অর্ডার কখনো একই অঙ্ক আশা করে না।
কেউ পুরনো ট্রানজেকশন আইডি দিয়ে ঠকাতে পারবে?
পারবে না। প্রতিটি ট্রানজেকশন আইডি ডাটাবেজে ইউনিক হিসেবে রাখা হয়। একই আইডি দ্বিতীয়বার জমা পড়লে ইনসার্টই ব্যর্থ হয় এবং কোনো অর্ডার যাচাই হয় না।
ফোন বন্ধ থাকলে বা অ্যাপ বন্ধ হয়ে গেলে?
অ্যাপ নির্দিষ্ট সময় সাড়া না দিলে ড্যাশবোর্ডে সতর্কবার্তা ওঠে। এর মধ্যে আসা পেমেন্টগুলো ড্যাশবোর্ড থেকে হাতে মিলিয়ে দিতে পারবেন, তাই অর্ডার আটকে থাকবে না।
WHMCS বা WooCommerce-এ কাজ করবে?
হ্যাঁ। WHMCS-এর জন্য পেমেন্ট গেটওয়ে মডিউল আর WooCommerce-এর জন্য প্লাগিন আছে। এর বাইরে যেকোনো PHP অ্যাপ্লিকেশনে REST API আর ওয়েবহুক দিয়ে যুক্ত করা যায় — Laravel, CodeIgniter বা নিজের হাতে লেখা কোড, সবখানেই।
আজ রাতে আর SMS মেলাতে হবে না
১৪ দিন ফ্রি। কার্ড লাগবে না, মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টও না।
অ্যাকাউন্ট খুলুন